(Non-Parametric Tests -এর ব্যবহারগুলি লিখো)

1980 এর দশকের শেষের দিকে হংসরাজ কলেজে অর্থনীতিতে অনার্স স্নাতকের গড় বেতন প্যাকেজ ছিল প্রায় 1,000,000 পিএ। 80-এর দশকের প্রথম দিকে বা 90-এর দশকের প্রথম দিকে স্নাতক হওয়া লোকেদের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এত উচ্চ গড় হওয়ার কারণ কী হতে পারে? ওয়েল, সর্বোচ্চ বেতনপ্রাপ্ত ভারতীয় সেলিব্রিটিদের একজন, শাহরুখ খান 1988 সালে হংসরাজ কলেজ থেকে … বিস্তারিত পড়ুন

সমাস কাকে বলে ? সমাস কয় প্রকার ও কী কী ? সমাসের যে-কোনো দুটি প্রকারভেদের বিস্তৃত আলোচনা করো।

সমাস কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখ। দুই বা ততোধিক পদ মিলিত হয়ে এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। সমাস কথাটির অর্থ সংক্ষেপণ বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থের দিক থেকে মিল আছে এমন দুই বা ততোধিক শব্দ মিলে একটি শব্দ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের সৃষ্টি। … বিস্তারিত পড়ুন

প্রত্যয় কাকে বলে ? বাংলা প্রত্যয় বিষয়ে বিশদে আলোচনা করো।

মূল শব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ সৃষ্টি করে তাকেই প্রত্যয় বলে। বাংলা প্রত্যয় দু প্রকার — কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। কোনো ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে , যেমন গম্+অনট্ = গমন, শ্রু+অনট্= শ্রবণ, দৃশ+তি= দৃষ্টি, কৃ+তব্য=কর্তব্য ইত্যাদি। তেমনি কোনো নামপদের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত … বিস্তারিত পড়ুন

উদাহরণসহ সংজ্ঞা দাওঃ স্বরসংগতি, সংকর শব্দ, জোড়কলম, বর্ণ বিপর্যয়।

স্বরসঙ্গতি কাকে বলে? স্বরসঙ্গতির উদাহরণ দাও? একটি স্বরধ্বনির প্রভাবের ফলে শব্দের অপর স্বরের যে পরিবর্তন হয় তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। অর্থাৎ দুইটি স্বরধ্বনির মধ্যে সঙ্গতি রক্ষার জন্য একটির প্রভাবে আরেকটি পরিবর্তিত হলে তখন তাকে স্বরসঙ্গতি বলি। স্বরসঙ্গতির উদাহরণঃ দেশি > দিশি( এখান দেশি= দে+এ+শ+ই, দিশি= দ+ই+শ+ই)—‘ই’-র প্রভাবে ‘এ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ই’ হয়েছে। মুলা > মুলো স্বরসঙ্গতি … বিস্তারিত পড়ুন

ধ্বনি পরিবর্তনের কারণগুলি উল্লেখ করে এর প্রধান ধারাগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

ভূমিকা:– বাংলা একটা প্রাণবন্ত চলমান ভাষা । বহু বছরের ধীর ও ধারাবাহিক বিবর্তনে বাংলা ভাষার বর্ণ ও সংযুক্ত বর্ণের মূল ধ্বনির নানা পরিবর্তন ঘটেছে । ধ্বনির পরিবর্তনশীলতা বাংলা ভাষাকে আরো আন্তরিক ও প্রাণবন্ত করে তুলেছে । এই পরিবর্তনের পিছনে যে যে কারণগুলি রয়েছে সেগুলি হল —(১) ভৌগোলিক পরিবেশ ও জলবায়ু, (২) উচ্চারণে অসাবধানতা ও উচ্চারণ-কষ্ট … বিস্তারিত পড়ুন

তৎপুরুষ সমাস কাকে বলে ? দৃষ্টান্তসহ আলোচনা করো।

পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে এবং পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ করা হয়। যেমন: বিপদকে আপন্ন= বিপদাপন্ন।

বিভক্তি কাকে বলে ? শূন্য বিভক্তি বলতে কী বোঝ ? তির্যক বিভক্তি কাকে বলে ?

যে সব বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি শব্দ বা ধাতুর শেষে সংযুক্ত হয়ে অর্থপ্রকাশ করে ,সেই সব বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে বিভক্তি বলে । যেমন – কে ,রে ,এর ইত্যাদি শূন্য বিভক্তিঃ  যে শব্দ বিভক্তি পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে কিন্তু নিজে অপ্রকাশিত অবস্থায় থাকে এবং মূল শব্দটির কোন পরিবর্তন ঘটায় না, তাকে … বিস্তারিত পড়ুন

উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনিগুলি বিন্যস্ত করো।

স্বরধ্বনিকে উচ্চারণ করার সময় শ্বাসবায়ু যেহেতু কোথাও বাধা পায় না, তাই সাধারণ ভাবে এদের উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ভাগ করা হয় না, মুখগহ্বরের আকার আকৃতি অনুসারেই ভাগ করা হয়ে থাকে। তবু বাগ্যন্ত্রের যে স্থানটি একটি স্বরের উচ্চারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, সেই স্থান অনুসারে স্বরের উচ্চারণ স্থান নির্ণয় করা হয়। নিচে এই অনুসারে বাংলা স্বরগুলির উচ্চারণ … বিস্তারিত পড়ুন

অনুসর্গ বলতে কী বোঝ ? দৃষ্টান্ত দাও।

বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকেই অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলা হয়। অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো ‘কে’ বা ‘র’ বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে। বাংলা অনুসর্গ দুই প্রকার।[১] যথা-

অনুসর্গ বলতে কী বোঝ ? দৃষ্টান্ত দাও।

শব্দ মধ্যস্থ কোনো ব্যঞ্জন ধ্বনির পর যদি ই-কার বা উ-কার থাকে তবে সেই ‘ই’ বা ‘উ’ যদি ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটায় সেটাই হল অপিনিহিতি। “শব্দের মধ্যে ই’ বা ‘উ’ থাকলে, সেই ‘ই’ বা ‘উ’ যথা—নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে

B pharmacy 3rd semester notes pdf download. Hmo refurb dm developments north west. Noun siwes report student arrive platform.