শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘অবনী বাড়ি আছো’ কবিতাটির ভাববস্তু বিশ্লেষণ করো।  অথবা  ‘অবনী বাড়ি আছো’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।  অথবা  ‘অবনী বাড়ি আছো’ কবিতা অবলম্বনে কবির অস্তিত্বের সংকটের পরিচয় দাও।

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও আলোচিত কবিতা ‘অবনী বাড়ি আছো’। কবিতাটি ‘ধর্মে আছো জিরাফেও আছো’ (১৯৬৫) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত। তিনটি স্তবকে বিন্যস্ত এই কবিতার প্রতিটি স্তবকের শেষেই ব্যবহৃত হয়েছে একটি প্রশ্নবাক্য- “অবনী বাড়ি আছো?” এই প্রশ্নবাক্যটি কবিতার মূল অবলম্বন। এই প্রশ্নটিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে কবিতার বক্তব্য ও ব্যঞ্জনা। গভীর রাতে দরজা বন্ধ করে সমস্ত পাড়া … বিস্তারিত পড়ুন

সমর সেনের ‘মেঘদূত’ কবিতায় বর্ণিত প্রেমভাবনার পরিচয় দাও।  অথবা  ‘মেঘদূত’ কবিতাটির ভাববস্তু বিশ্লেষণ করো।  অথবা  ‘মেঘদূত’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার |

কবি সমর সেনের ‘মেঘদূত’ কবিতাটি ‘কয়েকটি কবিতা’ (১৯৩৭) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। মহাকবি কালিদাসের লেখা একটি বিখ্যাত প্রেমের কাব্য ‘মেঘদূত’। এই কাব্যের মধ্যে কুবেরের অনুচর যক্ষের বিরহবেদনা ও স্ত্রীর প্রতি প্রেম-ভালোবাসার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। কালিদাসের এই ‘মেঘদূত’ কাব্যকে অবলম্বন করে পরবর্তীকালে বিভিন্ন সাহিত্য রচিত হয়েছে। আধুনিক কবি সময় সেন ‘মেঘদূত’ কবিতায় সেই চিরন্তন প্রেমের নব মূল্যায়ণ করেছেন। … বিস্তারিত পড়ুন

অসুন্দরের মধ্যে সৌন্দর্য্যের অন্বেষণ ‘ব্যাং’ কবিতার বিষয়বস্তু- আলোচনা করো।   অথবা  বুদ্ধদেব বসুর ‘ব্যাং’ কবিতাটি সৌন্দর্যবোধের কবিতা- আলোচনা করো।  অথবা  ‘ব্যাং’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

বুদ্ধদের বসু রচিত ‘ব্যাং’ কবিতাটি ‘দময়ন্তী’ (১৯৪২) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কবিতাটিতে বর্ষাপ্রকৃতির প্রেক্ষাপটে ব্যাংয়ের কামনা-বাসনাময় জীবনের চিত্র বর্ণিত হয়েছে। পাশ্চাত্য সাহিত্যে অসুন্দরের মধ্যে সুন্দরের আবিষ্কার- সৌন্দর্যতত্ব রূপে স্বীকৃত। বুদ্ধদেব বসু এই তত্ত্বটিকে তাঁর ‘দময়ন্তী’ কাব্যের কবিতাগুলিতে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। ‘দময়ন্তী’ বুদ্ধদেবের অসুন্দর কবিতার শ্রেষ্ঠ সংকলন এবং সেই সংকলনের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা ‘ব্যাং’। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় … বিস্তারিত পড়ুন

পৌরাণিক অনুষঙ্গ ও যুদ্ধবিধস্ত পটভূমিতে আশার বাণী উচ্চারিত হয়েছে ‘ক্রেসিডা’ কবিতায়- আলোচনা করো।   অথবা   ‘ক্রেসিডা’ কবিতাটির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করো।  অথবা  ‘ক্রেসিডা’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। 

বিষ্ণু দে রচিত ‘ক্রেসিডা’ কবিতাটি ‘চোরাবালি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ‘ক্রেসিডা’ একটি উল্লেখযোগ্য প্রেমের কবিতা। কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘কবিতা’ পত্রিকায়, তখন কবিতাটির নাম ছিল ‘মৃত্যু, প্রেম ও মহাকাল’। ট্রয়ের রাজপুত্র ট্রয়লাস এবং ক্রেসিডার প্রেম ও বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে হোমারের মহাকাব্যে একটি গৌণ আখ্যান রয়েছে। পরবর্তীকালে এই গৌণ আখ্যানকে কেন্দ্র করে ইউরোপে একাধিক সাহিত্য রচিত হয়েছে। যেমন- ১. … বিস্তারিত পড়ুন

‘ঘোড়সওয়ার’ কবিতাটির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করো।  অথবা  ‘ঘোড়সওয়ার’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।   অথবা   বিষ্ণু দের ‘ঘোড়সওয়ার’ যুগপৎ প্রেম ও প্রতিবাদের কবিতা – আলোচনা করো। 

‘ঘোড়সওয়ার’ কবিতাটি বিষ্ণু দে-র ‘চোরাবালি’ (১৯৩৭) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য প্রতীকধর্মী কবিতা। এই কবিতার মধ্য দিয়ে কবির বিপ্লবী চেতনা এবং রোমান্টিক প্রেমভাবনার পরিচয় পাওয়া যায়। কবিতাটিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো- ‘ঘোড়সওয়ার’ এবং ‘চোরাবালি’। আপাতভাবে ‘ঘোড়সওয়ার’ শব্দটির সঙ্গে রূপকথার কাহিনির রোগ রয়েছে। বন্দিনী কোনো রাজকন্যা যেন প্রত্যাশা করছে কোনো এক রাজপুত্র ঘোড়ার পিঠে চড়ে এসে তাকে … বিস্তারিত পড়ুন

‘ফ্যান’ কবিতাটির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করো।   অথবা  ‘ফ্যান’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।    অথবা  ‘ফ্যান’ কবিতায় মন্বন্তরের ছবি ও কবির সহৃদয় মনোভাবের পরিচয় দাও।   অথবা ‘ফ্যান’ কবিতা অবলম্বনে কবির সমাজ চেতনার পরিচয় দাও।  

প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘ফ্যান’ কবিতাটি ‘ফেরারী ফৌজ’ (১৯৪৮) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কবিতাটির মধ্যে প্রেমেন্দ্র মিত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পঞ্চাশের মন্বন্তরের দ্বারা প্রভাবিত বাংলাদেশের বিপর্যন্ত রূপের বাস্তবচিত্র অঙ্কন করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকেই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কৃত্রিম পণ্য সংকট সৃষ্টি করে কালোবাজারি শুরু করে। ১৯৪৩-এর বন্যা ও সাইক্লোন এই সকল অসাধু ব্যবসায়ীদের আরো … বিস্তারিত পড়ুন

‘বড়োবাবুর কাছে নিবেদন’ কবিতায় ‘বড়োবাবু’ কে? তাঁর কাছে কবির প্রার্থিত বিষয়গুলির পরিচয় দাও।   অথবা   ‘বড়োবাবুর কাছে নিবেদন’ কবিতার ভাববস্তু বিচার করো।   অথবা    ‘বড়োবাবুর কাছে নিবেদন’ কবিতায় কবির স্বদেশ চেতনার পরিচয় দাও।  

‘বড়োবাবুর কাছে নিবেদন’ কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তীর ‘মাটির দেয়াল’ (১৯৪২) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। লণ্ডনে বসবাসকালে কবি এই কবিতাটি রচনা করেছেন। কবিতাটির মধ্যে বঙ্গদেশের নানান চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। কবিতাটিতে ‘বড়োবাবু’ বলতে বোঝানো হয়েছে কেরানির থেকে কিছুটা উচ্চপদস্থ কর্মচারীকে। ইংরেজ আমলে বিভিন্ন অফিস-আদালত-কোম্পানিতে বড়বাবুর দাপট ছিল অপরিসীম। আত্মকথনরীতিতে রচিত এই কবিতায় কবির সমাজ ও স্বদেশ চেতনার সার্থক প্রকাশ লক্ষ … বিস্তারিত পড়ুন

‘সংগতি’ কবিতার ভাববস্তু বিশ্লেষণ করো।   অথবা       ‘সংগতি’ কবিতায় অমিয় চক্রবর্তী যে আশাবাদের কথা ব্যক্ত করেছেন, তা আলোচনা করো।   অথবা     ‘সংগতি’ কবিতায় কবি মানবজীবনকে এক মহান ঐক্যসূত্রে বাঁধতে চেয়েছেন, আলোচনা করো।       অথবা     ‘সংগতি’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।   অথবা ‘সংগতি’ কবিতায় কবি কিভাবে জগতের যাবতীয় অসংগতির মধ্যে সংগতি বিধান করতে চেয়েছেন, আলোচনা করো।   

অমিয় চক্রবর্তীর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা ‘সংগতি’। কবিতাটি ১৯৩৩ সালে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে ১৯৪৩ সালে কবিতাটি ‘অভিজ্ঞান-বসন্ত’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ‘সংগতি’ কবিতায় দৃশ্যমান এই জড়জগতের যাবতীয় অসংগতি বা সামঞ্জস্যহীনতায় ব্যথিত হয়ে কবি শেষপর্যন্ত এই আশা পোষণ করেছেন যে, পরমকল্যাণময় এক শুভশক্তির ইচ্ছায় শেষ পর্যন্ত সবকিছুই সংগতি লাভ করবে। সমাজিক জাতিবৈষম্য, ধর্মভেদ, সাম্প্রদায়িকতা, অস্পৃশ্যতা, … বিস্তারিত পড়ুন

‘শাশ্বতী’ কবিতাটির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করো।   অথবা        ‘শাশ্বতী’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।   অথবা        ‘শাশ্বতী’ কবিতাটি অবলম্বনে সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রেম ভাবনার পরিচয় দাও।   অথবা             ‘শাশ্বতী’ কবিতা থেকে যে কোনো প্রশ্ন আসলেই এই উত্তরটা লেখা যাবে।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো ‘শাশ্বতী’। কবিতাটি ১৯৩১ সালের ২৭শে আগস্ট রচিত হয় এবং ১৯৩৩ সালে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে কবিতাটি ‘অর্কেস্টা’ (১৯৩৫) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়। ‘শাশ্বতী’ একটি অসাধারণ প্রেমের কবিতা। তবে প্রেমিকা নয়, প্রেমের শাশ্বত বা চিরন্তন রূপকেই কবি এখানে গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রেমের চিরন্তন রূপের কথা রবীন্দ্রনাথও স্বীকার করে নিয়েছেন। … বিস্তারিত পড়ুন

‘ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও কবিত্ব’ প্রবন্ধের পাঠ বিশ্লেষণ করে তাঁর সম্পর্কে লেখক বঙ্কিমচন্দ্রের নির্মোহ সমালোচনার দিকটি আলোচনা করুন।

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৯২২-১৯৭৬) বাঙালি একজন প্রমুখ কবি ও ছোটগল্প লেখক ছিলেন, যার জীবনচরিত এবং কবিত্বের দুটি দিক পড়ছে দীর্ঘকাল পর্যন্ত। জীবনচরিত: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত জন্ম নিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারপুরে, বাংলাদেশের একটি ছোট গ্রামে। তিনি শিক্ষা নিয়েছিলেন কলকাতার বিশেষ তত্ত্ববাদী বিদ্যালয়ে। তার প্রথম কবিতা ছাপা হয় তার ১৫ বছরের বয়সে। প্রথম কাব্যসংগ্রহ ‘সৃজন-সংহার’ তার কাছে প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ … বিস্তারিত পড়ুন

Analysis 1st semester notes pdf download. Photoshop dm developments north west. To be eligible for melbourne research scholarships (mrs), applicants must meet the following criteria :.