SECOND SEMESTER FYUGP SYLLABUS MINOR BENGALI 2024

MINOR BENGALI

শিরোনাম: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। আধুনিক যুগ: সংক্ষিপ্ত পরিচয়। ১. গদ্য / প্রবন্ধ : ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, প্রমথ চৌধুরী ২. কাব্য : ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, মধুসূদন দত্ত, বিহারীলাল চক্রবর্তী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [‘মানসী’ ও ‘সোনার তরী’ পর্ব), নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ ৩. নাটক : মধুসূদন দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র, গিরিশচন্দ্র ঘোষ [পৌরাণিক নাটক], দ্বিজেন্দ্রলাল রায় … বিস্তারিত পড়ুন

SECOND SEMESTER FYUGP SYLLABUS MAJOR BENGALI 2024

MAJOR BENGALI 2024

MAJOR BENGALI SYLLABUS 2024 শিরোনাম: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। আধুনিক যুগ: সংক্ষিপ্ত পরিচয়। প্রথমার্ধ : উনিশ শতক ১. গদ্য / প্রবন্ধ : ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর২. পত্র-পত্রিকা : দিগ্‌দর্শন, সংবাদ প্রভাকর, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা, বঙ্গদর্শন৩. কাব্য : ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, মধুসূদন দত্ত, বিহারীলাল চক্রবর্তী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [‘মানসী’ ও ‘সোনার৪. নাটক : মধুসূদন দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র, … বিস্তারিত পড়ুন

গিলফোর্ডের SOI মডেল বা বুদ্ধির ত্রিমাত্রিক তত্ত্ব

বুদ্ধি হল এক ধরনের মানসিক শক্তি যার সাহায্যে ব্যক্তি সুক্ষ, জটিল, বিমূর্ত বিষয়ে চিন্তা করতে পারে এবং ব্যাক্তি নতুন পরিবেশের সাথে অভিযােজন করতে পারে, বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও কৌশল আয়ত্ত করতে পারে। বুদ্ধির বিভিন্ন তত্ব রয়েছে। এই তত্বগুলির জটিলতা, অস্পষ্টতা অসম্পূর্ণতার কারণে মনােবিদ জে. পি. গিলফোর্ড বুদ্ধির ওপর গবেষণায় উৎসাহিত হন। গিলফোর্ড ও তাঁর … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।

বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতাব্দীর বিরাট বিস্ময়রূপে প্রতিভাত হয়েছেন। সহজ সাবলীল ও গতিশীল বাংলা গদ্য ভাষা ও সাহিত্য সৃষ্টিতে তাঁর অবদান অসামান্য। তাঁর পূর্বে রামমোহন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপকগণ বাংলা গদ্য রচনা করলেও তিনিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাধু গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।সাহিত্যকর্ম: বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন মহান সমাজসংস্কারক, তাই নির্মল সাহিত্য প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা গদ্যের বিকাশে রামমোহন রায়ের অবদান আলোচনা করো। অথবা বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা আলোচনা করো।

বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা :

বাংলা গদ্য সাহিত্যের আকাশে এক অসাধারণ পুরুষ , আধুনিকতার অগ্রদূত , ভারতীয় জীবনচেতনার উন্মেষস্বরূপ হলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি সম্পূর্ণ সংস্কারবিহীন হয়ে হিন্দু , মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মগ্রন্থ পাঠ করে স্বকীয় চিন্তায় ও মননে , লেখনীর দ্বারা যুক্তি গ্রাহ্য বিশ্লেষণে ভারতের সংস্কার আন্দোলনে ও গদ্য সাহিত্যের বিকাশে এক নতুন যুগের সূচনা করেন।

রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের বিকাশে লেখনী ধারণ করেননি। বাংলা গদ্যে তাঁর অংশগ্রহণের মূল কারণ ছিল সমাজ সংস্কার ও সমাজ সচেতনতা। তাঁর প্রধান পরিচয় – তিনি একজন সমাজ সংস্কারক , নবজাগরণের অগ্রদূত।সতীদাহ প্রথা নিবারণকল্পে তাঁর প্রধান অস্ত্র ছিল বাংলা গদ্য ভাষা। বহুবছর ধরে লালিত শাস্ত্রাদির বাংলা গদ্যে রূপান্তর ও সমালোচনা দ্বারা সনাতন ব্রাহ্মণ্য – দম্ভের মূলে কুঠারাঘাতের মধ্যে দিয়ে তাঁর সমাজ সংস্কারের প্রথম নান্দীপাঠ। তারপর শুরু হয় বিধবা বিবাহ আন্দোলন। এক্ষেত্রেও তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের বিরুদ্ধে লেখনীকেই তিনি প্রধান অস্ত্ররূপে ব্যবহার করেছিলেন। ”সম্বাদ কৌমুদী ” নামে তাঁর প্রকাশিত একটি পত্রিকাতে নিজ মত সমর্থনে তিনি নানা যুক্তি ও তর্কের উপস্থাপনা করেন। এই তর্ক-বিতর্ক এবং স্বাধীন যুক্তি – যুক্ত মতামত প্রকাশ ও উত্তর – প্রত্যুত্তরের মাধ্যমে সদ্যোজাত বাংলা গদ্য যেন শৈশব থেকে যৌবনে উত্তীর্ণ হলো।

রাজা রামমোহনের সাহিত্য সৃষ্টি :

রামমোহনের সাহিত্য কীর্তির প্রধান উদাহরণ হলো সম্বাদ কৌমুদী। এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি রক্ষণশীল সমাজের মূলে কুঠারাঘাত করেছিলেন। এছাড়াও ছিল – বেদান্ত গ্রন্থ (১৮১৫) ; বেদান্তসার (১৮১৫) ; বিভিন্ন উপনিষদের অনুবাদ – ইত্যাদি।

সমাজ সংস্কার সম্পর্কিত বিতর্কমূলক রচনাগুলি রামমোহনের সাহিত্যকীর্তিগুলির মধ্যে অন্যতম। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল –

  • উৎসবানন্দ বিদ্যাবাগীশের সহিত বিচার ;
  • ভট্টাচার্যের সহিত বিচার ;
  • গোস্বামীর সহিত বিচার ;
  • সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক – নিবর্তক সম্বাদ ;
  • কবিতাকারের সহিত বিচার ;
  • ব্রাহ্মণ সেবধি ;
  • পথ্য প্রদান ;
  • সহমরণ বিষয়ক – ইত্যাদি।
  • এছাড়াও তিনি কতকগুলি ব্রহ্মসংগীত রচনা করেছিলেন এবং ” গৌড়ীয় ব্যাকরণ ” নামে একখানি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেছিলেন – যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিল।

রামমোহনের গদ্য সাহিত্য পর্যালোচনা :-

রামমোহনের রচনা শৈলী ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে কবি ঈশ্বর গুপ্ত লিখেছিলেন – ” দেওয়ানজী (রামমোহন ) জলের ন্যায় সহজ ভাষায় লিখিতেন , তাহাতে কোনো বিচার ও বিবাদঘটিত বিষয় লেখায় মনের অভিপ্রায় ও ভাবসকল অতিসহজ স্পষ্টরূপে প্রকাশ পাইত , এজন্য পাঠকেরা অনায়াসেই হৃদয়ঙ্গম করিতেন , কিন্তু সে লেখায় শব্দের বিশেষ পারিপাট্য ও তাদৃশ মিষ্টতা ছিল না।

রামমোহনের গদ্য ভাষায় ঋজুতা থাকলেও মিষ্টতা ছিল না – একথা সত্য। তার কারণ তাঁর সাহিত্য সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজ সংস্কার ও সমাজ সচেতনতা। এজন্য তিনি সাহিত্য ক্ষেত্রে শব্দের পারিপাট্যের প্রতি মনোযোগী হতে পারেননি। তবে বাংলা গদ্যের বিকাশে রামমোহনের প্রধান অবদান ছিল তিনি বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল , স্বচ্ছন্দ ও সাবলীল করে তুলেছিলেন।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত :

মুনশিরা বাংলা গদ্যকে কাহিনী ও গল্প প্রকাশের বাহন করে তুলেছিলেন। কিন্তু রামমোহন তাকে যুক্তিতর্কের নিরিখে বিশ্লেষণ করে এবং গভীর আত্মসংযমের মধ্যে দিয়ে বিষয়কে উপস্থাপিত করেছিলেন।

তাঁর সাহিত্য কীর্তি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন – ” কী রাজনীতি , কী বিদ্যাশিক্ষা, কী সমাজ , কী ভাষা – আধুনিক বঙ্গদেশে এমন কিছুই নাই রামমোহন রায় স্বহস্তে যাহার সূত্রপাত করিয়া যান নাই। ”

বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।

বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান আলোচনা করো

বাংলা গদ্যসাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান আলোচনা করো

বাংলা গদ্যসাহিত্য বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের অবদান: লর্ড ওয়েলেসলি (১৮০০) খ্রিস্টাব্দে কলকাতা লালবাজার “কলেজ অফ ফোর্ট উইলিয়াম” প্রতিষ্ঠা করলেন। বাংলা ভাষা শেখানাের কোন পাঠ্যপুস্তক না থাকায় উইলিয়াম কেরির তত্ত্বাবধানে সংস্কৃত, ফারসি, আরবি জানা পন্ডিত মনীষীদের দিয়ে বাংলা গদ্য পাঠ্যপুস্তক রচনা করতে প্রয়াসী হলেন। বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে সেইসব পন্ডিতরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলা সাহিত্যে … বিস্তারিত পড়ুন

* karnataka state police training school – channapatna. Dm developments north west. Pharmacy practice 7th semester notes pdf download.