1. সালোকসংশ্লেষ কি জাতীয় প্রক্রিয়া– উপচিতি মূলক প্রক্রিয়া।
  2. সালোকসংশ্লেষ এর ফলে উৎপন্ন পদার্থ হল – শর্করা ,জল ও অক্সিজেন।
  3. সালোকসংশ্লেষের জন্য ব্যবহৃত কাঁচামাল হলো – কার্বন ডাই অক্সাইড ও জল।
  4. সালোকসংশ্লেষের ফলে উৎপন্ন গ্লুকোজের অক্সিজেনের উৎস হলো– কার্বন ডাই অক্সাইড।
  5. সালোকসংশ্লেষের জন্য উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে কি গ্রহণ করে – কার্বন ডাই অক্সাইড।
  6. আলোক দশায় জলের অনুর বিশ্লিষ্ট হওয়ার ঘটনাকে বলা হয় – ফটোলাইসিস।
  7. উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষের প্রধান অঙ্গ হল– পাতা।
  8. ফসফোরাইলেশন এ উৎপন্ন পদার্থ কি হলো– ATP .
  9. কেলভিন চক্র ঘটে যে স্থানে সেটি হল– স্ট্রোমা ।
  10. আলোক নিরপেক্ষ দশায় কি উৎপন্ন হয় –গ্লুকোজ ।
  11. ক্লোরোফিল যুক্ত এবং সালোকসংশ্লেষে সক্ষম একটি প্রাণী হল– ইউগ্লিনা।
  12. আলোক দশা ঘটে ক্লোরোপ্লাস্টের– গ্রানায় ।
  13. সালোকসংশ্লেষের আলোক নিরপেক্ষ দশায় অর্থাৎ অন্ধকার দশা বিক্রিয়া গুলি ক্লোরোপ্লাস্টের কোথায় ঘটে – স্ট্রোমা তে।
  14. আলোক দশায় উৎপন্ন হয় O₂ , ATP, NADPH₂ 
  15. সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন অক্সিজেনের উৎস হলো– জল।
  16. ক্লোরোফিল বিহীন এবং সালোকসংশ্লেষে অক্ষম একটি উদ্ভিদ হল– স্বর্ণলতা।
  17. সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় –সালোকসংশ্লেষে।
  18. সালোকসংশ্লেষ একটি আলোক রাসায়নিক– বিক্রিয়া।
  19. সালোকসংশ্লেষ ঘটে – উদ্ভিদের সকল সবুজ অঙ্গে ।
  20. সালোকসংশ্লেষে শক্তির যে প্রকার রূপান্তর ঘটে তা হল – আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি।
  21. ক্লোরোফিল গঠনে ব্যবহৃত ধাতব ও মৌলটি হল –ম্যাগনেসিয়াম ।
  22. সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন খাদ্যের মধ্যে সঞ্চিত শক্তির প্রকৃতি হল – স্থিতি শক্তি।
  23. সালোকসংশ্লেষের সঠিক রাসায়নিক সমীকরণ নির্ণয় কাদের মধ্যে একজন হলেন– কেলভিন ।
  24. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন অন্যতম উপজাত ও গ্যাসীয় পদার্থ হল – অক্সিজেন।
  25. আলোক নিরপেক্ষ দশায় গ্লুকোজ উৎপাদিত হয় এটি প্রথম লক্ষ করেন– ব্ল্যাকম্যান ।
  26. অঙ্গার বা কার্বন আত্তীকরণ এর জন্য যা প্রয়োজনীয় তা হল –  RuBP ও CO₂ 
  27. সালোকসংশ্লেষে 1 গ্রাম অণু গ্লুকোজ কত শক্তি স্থিতি শক্তি রূপে আবদ্ধ হয়= 686 কিলোক্যালরি ।
  28. প্রতি অনু ATP এর মধ্যে প্রায় কত শক্তি জমা থাকে =7.3 কিলোক্যালরি।
  29. কোন রঞ্জক থাকার জন্য উদ্ভিদের পাতা সবুজ হয়= ক্লোরোফিল।
  30. সালোকসংশ্লেষের প্রধান শক্তির উৎস হল= সূর্য।
  31. সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজে করছে C,  H  এবং O এর অনুপাত হল= 1:2:1
  32. সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন ATP তে সৌরশক্তি আবদ্ধ হয় কি  হিসেবে= রাসায়নিক শক্তি হিসেবে।
  33. ক্লোরোফিল, ক্যারোটিন, হিমোসায়ানিন ও ফাইকো বিলীন এদের মধ্যে কোনটি সালোকসংশ্লেষের রঞ্জক নয় =হিমোসায়ানিন।
  34. ক্যারোটিন , ফাইকোবিলীন ,জ্যান্থোফিল এদের মধ্যে কোনটি তীব্র আলো দ্বারা ক্লোরোফিল এর ক্ষতি প্রতিরোধ করে= জ্যান্থোফিল ।
  35.  ব্ল্যাক ম্যান বিক্রিয়া ,কার্বন বিক্রিয়া ,অন্ধকার বিক্রিয়া ফটোফসফোরাইলেশন এদের মধ্যে আলোক নিরপেক্ষ দশা সূচিত করে না= ফটোফসফোরাইলেশন ।
  36. সালোকসংশ্লেষের ফটোফসফোরাইলেশন এ উৎপন্ন উপাদানটি হল =ATP 
  37. কার্বন বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড এর গ্রাহক হল = RuBP 
  38. রঞ্জক এর শোষণ বর্ণালী মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে =স্পেকট্রোফোটোমিটার ।
  39. উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষ কারী কোষীয় অঙ্গানু হল = ক্লোরোপ্লাস্ট।
  40. সালোকসংশ্লেষে উৎপন্ন প্রথম স্থায়ী পদার্থটি হলো = ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড (PGA)
  41. পাতার মেসোফিল কলার ক্লোরোফিল যুক্ত অংশে সালোকসংশ্লেষণ গঠিত হয় ।
  42. রোডোসিউডোমোনাস ও ক্লোরোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া সালোকসংশ্লেষ করতে পারে ।
  43. কোন উদ্ভিদের মূলে সালোকসংশ্লেষ হয়= গুলঞ্চের এর আত্তীকরণ মূল ও অর্কিডের সবুজ বায়বীয় মূল।
  44. কোন তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষ ভালো হয়= 25 ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড থেকে 35 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ।
  45. সালোকসংশ্লেষ ছাড়াই খাদ্য তৈরি করতে পারে = থায়োব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়া ।
  46. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল জৈব অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
  47. সালোকসংশ্লেষের কোন দশায় কার্বন ডাই অক্সাইড এর প্রয়োজন হয় = অন্ধকার দশায়।
  48. সালোকসংশ্লেষে অংশগ্রহণকারী দুটিসহ উৎসেচক বা কো-এনজাইমের নাম লেখ= NADP ও ADP 
  49. সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় একটি জৈব উৎসেচকের নাম হল= রাইবিউলোজ বিস-ফসফেট কার্বক্সিলেজ ( RuBISCO)
  50. কোন প্রকার সালোকসংশ্লেষে অক্সিজেন নির্গত হয় না= ব্যাকটেরিয়ায় সালোকসংশ্লেষে ।
  51. সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষের সহকারি রঞ্জক কি = ক্যারোটিনয়েড ।
  52. দুটি ক্যারোটিনয়েড এর নাম হল= ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল ।
  53. লোহিত শৈবাল এর বা নীলাভ সবুজ শৈবাল এর সহকারি রঞ্জক হল= ফাইকোবিলিন ।
  54. ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক গুলির শোষণ বর্ণালী হল= নীল সবুজর ।
55. দুটি c4 উদ্ভিদের নাম হল ভুট্টা গাছ আখ গাছ।