:রেচন: 


  1. ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, রজন, উপক্ষার এগুলির মধ্যে জীবের নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন পদার্থ নয় কোনটি–রজন ।
2. গদ , উপক্ষার, ইউরিয়া ,অ্যামোনিয়া এদের মধ্যে কোনটি উদ্ভিদের রেচন পদার্থ – উপক্ষার।
3. বৃক্কের একক কে বলা হয় –নেফ্রন।
4. মানুষের বৃক্ক কোন ধরনের – মেটানেফ্রিক।
 5. কেঁচোর রেচন অঙ্গের নাম কি– নেফ্রিডিয়া।
6. মানবদেহের বৃক্কের মাধ্যমে যে পরিমাণ রেচন  বস্তু দেহ থেকে নির্গত হয় তার মোট পরিমাণ হলো– 75%।
7. পুরুষ মানুষের বৃক্কের গড় ওজন– 125 থেকে 170 গ্রাম ।
8. মানুষের স্ত্রী দেহের বৃক্কের গড় ওজন –115 থেকে 155 গ্রাম।
9. মানুষের প্রতিটি বৃক্কে নেফ্রনের গড় সংখ্যা হল– প্রায় 10 লক্ষ ।

10. প্রতি মিনিটে গ্লোমেরুলাস এর দ্বারা পরিস্রুত তরলের গড় পরিমাণ– 120ml ।

11. মানব বৃক্কের গড় দৈর্ঘ্য প্রস্থ উচ্চতা হল যথাক্রমে–   11 সেমি 5 সেমি 3 সেমি।

12. রক্ত থেকে নেফ্রনের যে অংশ দ্বারা জল ও রেচন পদার্থ  পরিশ্রুত হয় তাহলো – গ্লোমেরুলাস ।
13. মূত্রের রং হলুদ হওয়ার কারন মূত্রে থাকা – ইউরোক্রোম।
14. রেনিন ও এড়িথ্রপোয়েটিন  ক্ষরণ হয় – বৃক্ষ থেকে ।
15. চর্ম, যকৃত ,ফুসফুস ,অগ্ন্যাশয় এদের মধ্যে রেচন অঙ্গ নয় কোনটি–  অগ্নাশয়।
16. সংগ্রাহক নালিকা গুলি যেসব নালিতে গিয়ে মিশে তাদের বলা হয়– ডাক্ট অফ বেলিনি ।
17. হাঁপানি প্রশমনের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত উপকার হলো –ডাটুরিন।
18. রং শিল্পে ব্যবহৃত রেচন পদার্থ কি হলো – রজন।
গদ একপ্রকার –পলিস্যাকারাইড।
19. কানাডা বালসম একপ্রকার – রজন।
20. ম্যাকিউলা ডেনসা থাকে – দূরবর্তী সংবর্ত নালিকা গাত্রে।
21. রেসারপিন মরফিন নিকোটিন কুইনাইন এদের মধ্যে কোনটি নির্দিষ্ট উদ্ভিদের মূল থেকে প্রাপ্ত উপক্ষার রেসারপিন ।
22. কোন গাছের তরুক্ষীর থেকে রবার তৈরি করা হয় প্যারা রবার।
23. বৃক্কীয় নালিকায় পুনঃ শোষণে সাহায্যকারী হরমোন এর নাম হল – ADH
24. প্রাণী দেহের কোন বিপাকের ফলে ইউরিয়া তৈরি হয়–  প্রোটিন বিপাকের ফলে।
25. জীব দেহ থেকে বর্জিত সব পদার্থ কি বলে– বর্জ্য পদার্থ।
26. বৃক্কীয় নালিকা আর U আকৃতির অংশ হলো – হেনলির লুপ।
27. গ্লোমেরুলাস এর সন্নিকটে অবস্থিত বৃক্কীয় নালিকা প্রথমাংশ কে বলা হয়– নিকটবর্তী সংবর্ত নালিকা।
28. রজন পাওয়া যায়– শাল ও পাইন গাছ থেকে।
29. হেনলির লুপ এর অধোগামী বাহুতে– জল শোষন হয়।
30. বৃক্কের  কোন অংশ যান্ত্রিক ছাঁকনির মত কাজ করে– গ্লোমেরুলাস।
31. ত্বকে অবস্থিত কোন গ্রন্থির মাধ্যমে সিবাম ক্ষরিত হয় – সিবেসিয়াস ।
32. কর্নকুহরে চর্মে অবস্থিত সেরুমিনাল গ্রন্থি থেকে কি ক্ষরিত হয় – সেরুমেন ।
33. বৃক্ক থেকে উৎপন্ন মূত্র কার মধ্য দিয়ে মূত্রাশয়ে এসে জমা হয় – গবিনী ।
34. নিকোটিন ,ক্যাফিন ,মরফিন ও ট্যানিন এদের মধ্যে কোন উদ্ভিদ ওপো উপক্ষার টি কষা স্বাদ যুক্ত কার্বন 35. ঘটিত নাইট্রোজেন বিহীন রেচন পার্থ – ট্যানিন ।
36. পেঁপে গাছের তরুক্ষীর এর কোন উৎসেচক প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে– প্যাপাইন ।
37. ধুতুরা গাছের পাতা ও সস্যে কোন উপক্ষার থাকে– ডাটুরিন ।
38. পত্র মোচন ,বাষ্পমোচন ,ফল মোচন, বাকল মোচন এদের মধ্যে কোনটি রেচন পদ্ধতি নয়– বাষ্পমোচন।
39. রেজিন ,কুইনাইন ,ল্যাটেক্স, গদ কোনটি নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন পদার্থ– কুইনাইন।
40. মরফিন ,স্ট্রিকনিন ,রেসারপিন ,রেজিন এদের মধ্যে কোনটি নাইট্রোজেনঘটিত রেচন পদার্থ নয় –রেজিন।
41. আপেলে কোন রেচন পদার্থ পাওয়া যায়– ম্যালিক এসিড।
42. নিকোটিন পাওয়া যায় –তামাক গাছ থেকে।
44. পড়াপরিস্রাবণ ,আস্রাবণ ,পুনর্বিশোষন, ক্ষরণ এদের মধ্যে কোনটি নেফ্রনের মূত্র উৎপাদন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাজ নয়–আস্রাবন।
45. মরফিন হল আফিম গাছের– উপক্ষার।
46. ক্যাফিন হল– কফির বীজ থেকে পাওয়া উপকার।
47.রেসারপিন হল সর্পগন্ধা গাছের মূলের পাওয়া উপকার।
48. ট্যানিন ও থেইন হল চা পাতায় পাওয়া উপক্ষার বা রেচন পার্থ।
49. উদ্ভিদের রেফাইডযুক্ত কোষকে ইডিওব্লাস্ট বলে।
50.উদ্ভিদের সিস্টোলিথ যুক্ত কোষকে লিথোসিস্ট বলে ।
51. কচুরিপানার বৃন্তে - স্ফিরেফাড পাওয়া যায়। 
52. জোকের এবং কেঁচোর রেচন অঙ্গের নাম হল –নেফ্রিডিয়া।
53. পতঙ্গ ( মশা, মাছি )দের রেচন অঙ্গের নাম হল –ম্যালপিজিয়ান নালিকা।
54. চিংড়ির রেচন অঙ্গের নাম হলো সবুজ গ্রন্থি বা সঙ্গ গ্রন্থি বা অ্যান্টেনারি গ্ল্যান্ড।
55. মাছের রেচন অঙ্গের নাম হল– বৃক্ক ( প্রোনেফ্রস প্রকৃতির)
56. পাখি রেচন অঙ্গের নাম হলো –বৃক্ক ( মেটানেফ্রস প্রকৃতির)
57. ব্যাংকে রেচন অঙ্গের নাম হল বৃক্কো (মেসোনেফ্রস প্রকৃতির)
58. বৃক্ষের আবরণীর নাম হলো– রেনাল ক্যাপসুল।
59. গ্লোমেরুলাস বেষ্টনকারী নেফ্রনের অংশটির নাম হলো –বাওম্যানস ক্যাপসুল ।
60. অ্যামিবা হাইড্রা ইত্যাদি প্রাণী ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রেচন পদার্থ উৎপন্ন করে।
 61. বৃক্কের যে অবতল খাজ অংশে গভীরে যুক্ত থাকে তাকে বলা হয় হাইলাম ।
62. মানুষের মূত্রের নাইট্রোজেন যুক্ত প্রধান রেচন পদার্থ হল ইউরিয়া ।
63. একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মূত্রাশয় 500 থেকে 800 এমএল মূত্র সঞ্চিত থাকতে পারে।
64. মূত্রের দুটি স্বাভাবিক উপাদানের নাম হল গ্লুকোজ এবং অ্যালবুমিন ।