:শ্বসন:

  1. শ্বসন কি ধরনের বিপাক– অপচিতিমূলক বিপাক।
  2. শ্বসন একই প্রকার শক্তি উৎপন্ন হয়– তাপশক্তি।
  3. তিমির শ্বাস অঙ্গের নাম কি– ফুসফুস ।
  4. পায়রার কয়টি বায়ুথলি থাকে– 9 টি ।
  5. অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র কোন প্রাণীতে থাকে– কই মাছে।
  6. কোন প্রাণীর প্রধান শ্বাস অঙ্গ ত্বক– কেঁচোর।
  7. জলজ পরিবেশ উপযোগী শ্বাস অঙ্গ হলো– ফুলকা ।
  8. প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতি মিনিটে শ্বাসকার্যের হার =14 থেকে 18 বার।
  9. ফড়িং এর শ্বাস অঙ্গ হলো = শ্বাসনালী ।
  10. আরশোলার শ্বাস অঙ্গের নাম= ট্র্যাকিয়া ।
  11. উদ্ভিদের শ্বাস অঙ্গের নাম হল= পত্ররন্ধ্র ।
  12. শাসনকালে অক্সিজেন পরিবহনকারী তাম্র ঘটিত রঞ্জক পদার্থ হল = হিমোসায়ানিন ।
  13. হিমোসায়ানিন থাকে এমন দুটি প্রাণী হল= চিংড়ি ও শামুক ।
  14. ফুসফুস চর্ম এবং মুখবিবর গলবিলীয় মিউকাস পর্দা শ্বাস অঙ্গ রূপে কাজ করে= ব্যাঙ্গে ।
  15. বুকলাং বা বই ফুলকা দেখা যায়= মাকড়সাতে ।
  16. পতঙ্গদের দেহে শ্বাস ছিদ্রের সংখ্যা= 10 জোড়া ।
  17. দেহতল শ্বাস অঙ্গ রূপে কাজ করে= হাইড্রাতে।
  18. শ্বাসমূল থাকে এমন গাছ হল সুন্দরী= গরান।
  19. মানুষের পাঁজরের সংখ্যা= 12 জোড়া।
  20. ল্যারিংস এর তরুণাস্থি নির্মিত ঢাকনা কে বলা হয় = এপিগ্লটিস ।
  21. ফুসফুসের যে রোগের পাকস্থলীর স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায় তা হল= এমফাইসেমা ।
  22. শ্বাস পুষ্প যে মাছের শ্বাস অঙ্গ সেটি হলো= কই মাছ।
  23.  ধূমপানের ফলে ক্রোম শাখায় প্রদাহ সৃষ্টি হয় যে রোগে তা হল ফুসফুসের= ক্যান্সার ।
  24. মানুষের ফুসফুসের বায়ুথলির সংখ্যা হল= 30 থেকে 50 কোটি ।
  25. বাইসেপস, ট্রাইসেপস , মায়োকার্ডিয়াম, বহিঃস্থ ইন্টারকস্টাল এদের মধ্যে কোনটি শ্বাস পেশী= বহিঃস্থ ইন্টারকস্টাল ।
  26. বুক গিলেরস দ্বারা শ্বাসকার্য চালায় এমন একটি প্রাণী হল= রাজকাকড়া ।
  27. শ্বাস বৃক্ষ যে প্রাণীর শ্বাস অঙ্গ সেটি হল= সমুদ্র শশা।
  28. মাছের দেহে কয় জোড়া ফুলকা থাকে= চার জোড়া।
  29. ফুসফুস যে আবরণ দিয়ে আবৃত তার নাম হলো= প্লুরা ।
  30. কোন যন্ত্রের সাহায্যে শ্বাস হার ও শ্বসন অনুপাত মাপা হয়= রেসপিরো মিটার ।
  31. অ্যালভিওলাই কোথায় থাকে= ফুসফুসে।
  32. শ্বাস রঞ্জক হলো যেসব রঞ্জক শ্বাসবায়ু পরিবহন করে তাদের বলে শ্বাস রঞ্জক । যেমন হিমোগ্লোবিন হিমোসায়ানিন।
  33. মেরুদন্ডী প্রাণীদের শ্বাস রঞ্জক এর নাম হলো= হিমোগ্লোবিন ।
  34. অমেরুদন্ডী প্রাণীর শ্বাস রঞ্জক এর নাম= হিমোসায়ানিন ।
  35. প্লুরার বাইরের দিকে অংশকে= প্যারাইটাল প্লুরা এবং ভিতরের দিকের অংশকে= ভিসেরাল প্লুরা বলে ।
  36. ব্যাং কখন ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়= শীত ঘুমের সময়।
  37. শ্বসনে উৎপন্ন মোট ATP এর পরিমাণ= 38 অনু।
  38. ক্রেসব চক্র কোথায় ঘটে= মাইট্রোকন্ড্রিয়ায়।
  39. গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া টি কোষের কোথায় ঘটে= সাইটোপ্লাজমে।
  40. কোন প্রক্রিয়ার সিসি পাইরুভিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়= গ্লাইকোলাইসিস।
  41. শ্বসনে অংশগ্রহণকারী একটি কোষীয় অঙ্গানু হল = মাইট্রোকন্ড্রিয়া।
  42. অবাত শোষণকারী একটি ছত্রাক হলো= ইস্ট ।
  43. গ্লাইকোলাইসিস এ উৎপন্ন ATP অনুর সংখ্যা= 2 
  44. শ্বসনে প্রধান শ্বসন বস্তু হলো= গ্লুকোজ ।
  45. অণুজীব যদি জল অঙ্গার কে অর্থাৎ শর্করাকে অক্সিজেনের অংশগ্রহণ ছাড়াই আংশিক জারিত করে ভেঙ্গে ফেলে এবং শক্তি নির্গত হয় তবে সেই পদ্ধতিকে বলা হয় সন্ধান ।
  46. শ্বসনে গতিশক্তি রূপে মুক্ত শক্তির কত অংশ ATP এর মধ্যে আবদ্ধ থাকে 40%
  47. 1 গ্রাম মোল গ্লুকোজ বলতে বোঝায়= 180 গ্রাম গ্লুকোজ ।
  48. সবাত শ্বসন এর প্রথম ধাপ এর বিক্রিয়া ঘটে সজীব কোষ এর= সাইটোপ্লাজমে ।
  49. সবাত শ্বসনের প্রথম ধাপে এক অণু গ্লুকোজ ভেঙ্গে গিয়ে যে পরিমাণ পাইরুভিক এসিড উৎপন্ন করে তা হলো= দুই অনু ।
  50. সবাত শ্বসনের প্রথম পর্যায়ে কত টি অনু ATP উৎপন্ন করে= 2
  51. শ্বসনের দ্বিতীয় পর্যায়ে পাইরুভিক এসিড অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ ভেঙ্গে গিয়ে পরিণত হয়= কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও জল।
  52. সবাত শ্বসনের দ্বিতীয় পর্যায়ের বিক্রিয়া ঘটে = মাইট্রোকন্ডিয়া তে।
  53. প্রান্তীয় শ্বসন সম্পন্ন হয়= মাইট্রোকন্ডিয়ার অন্ত পর্দায় ।
  54. দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত জারণ দ্বারা বস্তুর শক্তির মুক্তি হল= দহন।
  55. ব্যাকটেরিয়ার যে অঙ্গাণু তে শ্বসন ঘটে তার নাম হলো= মেসোজোম।
  56. সবাত শ্বসনে 1 গ্রাম অণু গ্লুকোজ জারিত হয়ে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তার পরিমাণ হল= 686 kcal 
  57. পেশীকোষে সবাত শ্বসনের ফলে কি উৎপন্ন হয় = ল্যাকটিক অ্যাসিড ।
  58. কার্বন ডাই অক্সাইড এবং ইথাইল অ্যালকোহল উৎপন্ন হয় যে প্রক্রিয়ায় তাহলো= সন্ধান ।
  59. সবাত শ্বসনে মুক্ত 686 cal/গমে শক্তির কত শতাংশ তাপ শক্তিরূপে মুক্ত হয়= 60%
  60. প্রোটিন, ভিটামিন, শর্করা ও ফ্যাট এদের মধ্যে কোনটি শ্বসন বস্তু নয় = ভিটামিন ।
  61. অবাত শ্বসনে প্রান্তীয় শ্বসন পথ অনুপস্থিত থাকে ।
  62. শ্বসন একটি তাপমোচী বিক্রিয়া।
  63. অবাত শ্বসন কোষের সাইটোপ্লাজম এ ঘটে ।
  64. সবাত শ্বসন চারটি পর্যায়ের মধ্যে  প্রধান দুটি পর্যায় হলো গ্লাইকোলাইসিস ও ক্রেবস চক্র ।
  65. এক অণু গ্লুকোজ জারিত হয়ে কত অণু কার্বন-ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে = 6 অণু।
  66. খেজুর তাল প্রভৃতি ফলের রসে কোন ছত্রাক ব্যবহার করে ইথাইল অ্যালকোহল উৎপন্ন করা হয়= ইস্ট।
  67. অবাত শ্বসন সম্পন্ন কারী একটি প্রাণীর নাম হল = মনোসিস্টিস ।
  68. মানুষের পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় অবাত শ্বসন ঘটে না কারন সেখানে মাইটোকনড্রিয়া থাকে না।
  69. ক্রেসব চক্রে প্রথম উৎপন্ন যৌগটি হল সাইট্রিক এসিড বা সাইট্রিক ।
  70. দই উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম হলো = ল্যাকটোব্যাসিলাস কেজিআই।
  71. অবাত শ্বসন কারী একটি ব্যাকটেরিয়ার নাম হলো = প্যারাকক্কাস ডিনাইট্রিফিকান্স ।
  72. দহন ও শ্বসনের সাদৃশ্য লক্ষ্য করেছিলেন = বিজ্ঞানী ল্যাভয়সিয়র ।
  73. একটি বহি কোষীয় শ্বসন প্রক্রিয়ার নাম হল= কোহল সন্ধান ।
মাইট্রোকন্ডিয়া এ অক্সিজোম এ কোন উৎসেচক থাকে = ATP-য়েজ