সাম্রাজ্যবাদ ও নয়া উপনিবেশবাদ অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক

সাহাজ্যবাদের প্রধান ও কঠোরতম রূপ হল সামরিক সাম্রাজ্যবাদ। সাধারণতঃ সামরিক বিষয়ের মধ্য দিয়ে রাজ্য দখল এ উপনিবেশ স্থাপনই এর মূল কথা। ইতিহাসের সমস্ত প্রখ্যাত বিজয়ীগণ, যেমন- আলেকজান্ডার, নেপোলিয়ান ও হিটলার ছিলেন সামরিক সাম্রাজ্যবাদের পরিপোষক। এই ধরনের সাম্রাজ্যবাদী প্রচেষ্টার ফলে পৃথিবীতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছে (“Military imperialism is a gamble played for the highest stake.”)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে রাশিয়া ও আমেরিকা উভয়েই তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ দেশগুলিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে। তারা আঞ্চলিক সামরিক জোট গঠন করে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সুনিশ্চিত করতে চেয়েছে। চেকোস্লোভাকিয়া • হাঙ্গেরিতে সোভিয়েত সামরিক হস্তক্ষেপ, নিকারাগুয়ার বিদ্রোহীদের সামরিক অন্তসাহায্যদানের মধ্য দিয়ে সামরিক সাহাজ্যবাদের প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়।

অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ (Economic Imperialism)

অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদের প্রকাশ বহু প্রাচীনকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায়। বাণিজ্যিক স্বার্থের জন্য স্পেন, পর্তুগাল ও হল্যান্ড সাম্রাজ্য বিস্তারে অগ্রসর হয়েছিল। ভারতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আগমন হয়েছিল। কিছুদিন আগে পর্যন্ত ব্রিটেন তৈলসম্পদের লোভেই আরব বিশ্বের উপর তার আধিপত্য বজায় রেখেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক স্বার্থ সাধনের উদ্দেশ্যে ল্যাটিন আমেরিকাকে শোষণ করত। অনেক ক্ষেত্রে দুই প্রতিযোগী সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র অর্থনৈতিক উপায়ে কোন একটা অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের জন্য প্রতিযোগিতায় রত হয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে ব্রিটেন ও রাশিয়া উভয়েই ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে।

বর্তমানে বিশ্বের শিল্পোন্নত পশ্চিমী দেশগুলি অর্থনৈতিক স্বার্থ সাধনের উদ্দেশ্যে নয়া ঔপনিবেশিক নীতি অনুসরণ করেছে।

সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ (Cultural Imperialism)

সাম্রাজ্যবাদের সূক্ষ্ম রূপ হচ্ছে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ। সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ সামরিক উপায়ে কোন এলাকা দখল না করে বা অর্থনৈতিক উপায়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা না করে কোন অঞ্চলের জনগণের মন, রুচি, পছন্দ ও চিন্তাধারাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদের উদ্দেশ্য হল বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিগত সম্পর্কের পরিবর্তন। সব রকম বুদ্ধিগত প্রভাব ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ প্রসারের চেষ্টা করা হয়। সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ অনেক সময় অর্থনৈতিক প্রভুত্ব ও সামরিক বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে। পূর্বে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশানাল বিশ্বের সমস্ত কমিউনিস্ট পার্টিকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ প্রসারের চেষ্টা করেছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে 1950-এর দশক থেকে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আণবিক যুগে সামরিক সাম্রাজ্যবাদের নীতি অনুসরণ বিপজ্জনক। বর্তমান বিশ্বে বহুসংখ্যক স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভবের পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐসব দেশের জনগণের মতাদর্শ ও চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করার জন্য নানা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। উভয় দেশই বিবিধ সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উপায়ে ঐসব দেশে প্রভাব ও প্রতিপত্তি বিস্তারে আগ্রহী।

মূল বক্তব্যসমূহ (Key Points)

সামরিক সাম্রাজ্যবাদ সাম্রাজ্যবাদের প্রাচীনতম রূপ।  অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ মূলত বিদেশী এলাকাকে অর্থনৈতিক শোষণের উদ্দেশ্যে প্রযুক্ত হয়। Q সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ সাম্রাজ্যবাদের সূক্ষ্মতম রূপ । 1960-এর দশক থেকে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ বিশেষভাবে প্রসারিত হয়েছে।

নয়া উপনিবেশবাদ (Neo-Colonialism)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে দ্রুত সাম্রাজ্যবাদের পতন শুরু হয়। 1919 সালে বিশ্ব জনসংখ্যার 70 শতাংশ পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল। 1966 সালে এশিয়া, আফ্রিকা ও ক্যারিবিয়ান উপকূলের অধিকাংশ জনগণই স্বাধীনতা লাভ করে এবংপৃথিবীর 1 শতাংশ মাত্র পরাধীনতার অভিশাপে আবদ্ধ ছিল। মানব ইতিহাসে এত দ্রুত এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন আগে দেখা যায়নি (“Never before in the whole of human history had so revolutionary reversal occurred with such rapidity.”)। সমস্ত পরাধীন অঞ্চলে তীব্র জাতীয়তাবাদী আন্দোলন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলিকে পশ্চাৎপদ করতে বাধ্য করেছিল। সেই মুমূর্ষু উপনিবেশবাদের যুগে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলি তাদের পূর্বতন উপনিবেশগুলিকে পরোক্ষ উপায়ে অর্থনৈতিক দিক থেকে শোষণ করার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা সরাসরি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে সরে গিয়ে পরোক্ষে নয়া উপনিবেশবাদী শোষণের পথ অনুসরণ করেছিল।

1950-এর দশকের শেষে ফরাসি মার্কসবাদীগণ নয়া উপনিবেশবাসের ধারণা প্রচার করেন ও 1960-এর দশকে ঐ ধারণা বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। নয়া উপনিবেশবাদকে সাম্রাজ্যবাদের এক নয়া কৌশল বলে বর্ণনা করা হয় (“Neo- Colonialism is described as the survival of the colonial system in spite of formal recognition of political independence in emerging countries which became the victims of indirect and subtle form of domination by political, economic, social, military and technical forces.”)!

নয়া উপনিবেশবাদের ফলে পূর্বতন উপনিবেশগুলি সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলির উপর আরও বেশি মাত্রায় অর্থনৈতিক দিক থেকে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিশ্বের ধনী শিল্পোন্নত দেশগুলি বর্তমানে বিভিন্ন পদ্ধতি, যেমন—বৈদেশিক সাহায সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত বাণিজ্য ও অস্ত্র বাণিজ্যের মাধ্যমে নয়া ঔপনিবেশিক শোষণ চালাচ্ছে। এই ধরনের নয়া ঔপনিবেশিক শোষণের ফলে বিশ্বের ধনী শিল্পোন্নত ও দরিদ্র উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

একদিক থেকে নয়া উপনিবেশবাদের ধারণা সম্পূর্ণ নতুন নয়। লেনিন মন্তব্য করেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আর্থিক পুঁজির শক্তি এতই বেশি হবে যে, তা সম্পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্রগুলিকে অধীনস্থ করে রাখবে। বহুদিন ধরে ব্রিটেন মধ্যপ্রাচ্যের উপর সরাসরি রাজনৈতিক শাসন প্রতিষ্ঠা না করেও তার অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করত। ব্রিটিশ অর্থনৈতিক প্রভুত্বের জন্য ঐসব দেশের স্বাধীনতা বিশেষভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বহুদিন ধরে লিবিয়ার ওপর রাজনৈতিক শাসন বিস্তার না করেও অর্থনৈতিক দিক থেকে শোষণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ল্যাটিন আমেরিকাতে বহুদিন ধরে নয় ঔপনিবেশিক নীতি অনুসরণ করেছে।

ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলির অর্থব্যবস্থা বিশেষভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। মার্কিন রাষ্ট্রদূতগণ ল্যাটিন আমেরিকার স্বাধীন রাষ্ট্রগুলিতে প্রভুত্ব করতেন। মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞগণও ল্যাটিন আমেরিকার রাষ্ট্রগুলির সামরিক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে নয়া উপনিবেশবাদ বিশেষভাবে প্রসারিত হয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নয়া উপনিবেশবাদ তার পদ্ধতির পরিবর্তন করেছে। বহু নতুন শক্তি ও সংস্থাকে কাজে লাগান হয়েছে এবং নতুন নতুন পদ্ধতি ও অস্ত্র প্রয়োগ করা হচ্ছে।

নয়া উপনিবেশবাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলির অর্থনৈতিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রক্ষা। নয়া উপনিবেশবাদ নতুন নতুন রাষ্ট্রে ধনতন্ত্রকে জিইয়ে রেখে সমাজতন্ত্রের গতি রোধ করতে তৎপর।

সাম্প্রতিক কালে নয়া উপনিবেশবাদের ধারণা বিশ্লেষণ করেছেন Immanuel Wallerstein ও John Galbang • Immanuel Wallerstein-এর মতে বিশ্ব দু’ভাগে বিভক্ত — Core ও Periphery. যে-সব দেশে বেশি লাভজনক উৎপাদন ব্যবস্থা প্রচলিত তাদের তিনি Core অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যেসব দেশে কম লাভজনক উৎপাদন ব্যবস্থা প্রচলিত তাদের তিনি Periphery বলেছেন।

Core ও Periphery-এর সম্পর্ক অধিক মুনাফা-উৎপাদনকারী এলাকার সঙ্গে স্বল্প মুনাফা-উৎপাদনকারী এলাকার   সম্পর্ক।   Core ও Periphery—এমন উৎপাদন সম্পর্কে আবদ্ধ যে উদ্বৃত্ত মূল্য (Surplus Value) Core অঞ্চল থেকে periphery অঞ্চলে হস্তান্তরিত হয়। উদ্বৃত্ত মূল্য শ্রমিক থেকে মালিকে ও Periphery এলাকার মালিক থেকে Core অঞ্চলের মালিকের হাতে হস্তান্তরিত হয়।

সাম্রাজ্যবাদ ও নয়া উপনিবেশবাদ

  • Core অঞ্চলগুলি ধনী শিল্পোন্নত দেশে কেন্দ্রীভূত। Periphery অঞ্চলগুলি দরিদ্র অনুন্নত দেশে বিস্তৃত। • Core অঞ্চলগুলি Periphery অঞ্চলকে অর্থনৈতিক দিক থেকে শোষণ করে। এই শোষণই নয়া-উপনিবেশবাদের মূল

John Galtung সাম্রাজ্যবাদের বিভিন্ন রূপ ও পর্যায় বিশ্লেষণ করে নয়া উপনিবেশবাদের স্বরূপ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি সাম্রাজ্যবাদের তিনটি রূপ ও পর্যায়ের উল্লেখ করেছেন- বিভিন্ন রূপ  পর্যায়

অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ

প্রথম — উপনিবেশবাদ (এলাকা দখল) দ্বিতীয়—নয়া-উপনিবেশবাদ   রাজনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ  তৃতীয়—নয়া-নয়া উপনিবেশবাদ

সামরিক সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ

John Galtung সাম্রাজ্যবাদকে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে অধীনতার সম্পর্ক বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতেও সাম্রাজ্যবাদ Centre ও Periphery এর মধ্যস্থিত সম্পর্ক চিহ্নিত করে।

Centre ও Periphery-এর মধ্যে স্বার্থের disharmony থাকে। Centre-এর সঙ্গে Centre-এর harmony of interest থাকে। Centre-এর Periphery ও Periphery-র Periphery এর মধ্যেও disharmony of interest থাকে। John Galtung এর মতে, সাম্রাজ্যবাদের প্রধান হাতিয়ার হল বৈষম্যমূলক আদান-প্রদানের সম্পর্ক।

সাম্রাজ্যবাদ ও নয়া উপনিবেশবাদের মধ্যে পার্থক্য (Differences between Colonialism and Neo-Colonialism)

  1. সাম্রাজ্যবাদের প্রধান পদ্ধতি হচ্ছে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার। নয়া উপনিবেশবাদের প্রধান পদ্ধতি হচ্ছে অর্থনৈতিক শোষণ।
  2. সাম্রাজ্যবাদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক আধিপত্য স্থাপন। নয়া উপনিবেশবাদের উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক স্বার্থসাধন।
  3. সাম্রাজ্যবাদ শোষণের প্রাচীন রূপ। নয়া উপনিবেশবাদ শোষণের সূক্ষ্মতর রূপ। 4. সাম্রাজ্যবাদ শোষণের প্রাচীন রূপ। নয়া উপনিবেশবাদ তুলনামূলকভাবে নতুনতর রূপ।
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সাম্রাজ্যবাদের শোচনীয় পরাজয় লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু এই সময়ে নয়া উপনিবেশবাদ প্রসারিত

হয়েছে। 6. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি ও জনজাগরণের ফলে সাম্রাজ্যবাদ অচল হয়ে পড়েছে। কিন্তু, বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা যত বাড়ছে ততই নয়া উপনিবেশবাদ সম্প্রসারিত হচ্ছে।

সুতরাং নয়া উপনিবেশবাদের স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে কতকগুলি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। • নয়া উপনিবেশবাদের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক শোষণ।

  • নয়া উপনিবেশবাদ সাম্রাজ্যবাদী শোষণের নতুন রূপ।

নয়া উপনিবেশবাদ বহু ধরনের হাতিয়ারের মাধ্যমে উদ্দেশ্যসাধনের চেষ্টা করে, যেমন—রাজনৈতিক হাতিয়ার, সামরিক হাতিয়ার, অর্থনৈতিক হাতিয়ার ও সাংস্কৃতিক হাতিয়ার। বিভিন্ন কারণে বিগত 50 বছরে নয়া উপনিবেশবাদ প্রসারিত হয়েছে। যেমন-

  • সাম্রাজ্যবাদের পতনই নয়া উপনিবেশবাদের বিকাশে সাহায্য করেছে।
  • নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশগুলির অর্থনৈতিক দারিদ্র্য, শিল্পগত অনগ্রসরতা, মূলধনের অভাব, প্রযুক্তিগত অনগ্রসরতা তাদের ধনী দেশগুলির উপর নির্ভরশীল করেছে। এই নির্ভরশীলতাই নয়া ঔপনিবেশিক শোষণের পথ প্রশস্ত করেছে।
  • বহুজাতিক কর্পোরেশনের দ্রুত সম্প্রসারণ ও তাদের প্রসারিত কার্যাবলী নয়া ঔপনিবেশিক শোষণে ইন্ধন জুগিয়েছে। • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে সমস্ত বিশ্বে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও যোগাযোগ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই

নির্ভরশীলতা ও যোগাযোগের সুযোগ নিয়ে ধনী দেশগুলি দরিদ্র দেশগুলির ওপর নয়া ঔপনিবেশিক শোষণ চালাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Discover more from

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

Psd dm developments north west.