শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘অবনী বাড়ি আছো’ কবিতায় কবি অস্তিত্বের সংকটের কথা কীভাবে তুলে ধরেছেন তা নিজের ভাষায় আলোচনা করুন।

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের “অবনী বাড়ি আছো” কবিতায় তিনি অস্তিত্বের সংকটের চিন্তা নিয়ে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে অমুক ভাবে আলোচনা করেছেন। এই কবিতায় অস্তিত্ব, নির্বিকার, এবং আত্মমুক্তির সঙ্গে জড়িত বিচ্ছিন্নতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে।

কবিতার শিরোনাম “অবনী বাড়ি আছো” মূলত একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞানের আলোকে উঠছে, যা অস্তিত্ব এবং আত্মমুক্তির জন্য অস্তিত্বের সংকটের মধ্যে একটি চিত্র তৈরি করে। কবি তার অস্তিত্ব এবং মুক্তির প্রতি উদাসীন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেন, তাতে সমাজ এবং ব্যক্তিগত পরিপর্কতা ও সামাজিক চুক্তির বিষয়ে চিন্তা করতে পারি।

কবি তার বাড়িতে থাকা অবনীর মধ্যে অস্তিত্ব এবং স্বাধীনতা পেতে এবং সমাজ ও ব্যক্তিত্বের জন্য যোগদান করতে চায়, কিন্তু তার মনে হয় যে সমাজ এবং অস্তিত্ব একে অপরকে আদান-প্রদানের বিকল্প দেয়নি। এই বাধাগ্রস্ত বাস্তবতায় কবি তার অস্তিত্ব এবং স্বাধীনতা প্রতি তার অবিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ দেখাচ্ছে।

কবি একধরনে নিজেকে বাড়িতে বাড়িতে একক হওয়ার প্রতি আত্মমুক্তির দরকার সুস্পষ্টভাবে অনুভব করেন, যাতে সে তার নিজের পথে চলতে পারে এবং সমাজের শক্তিশালী সাম্রাজ্যের সাথে স্বাধীনভাবে মোক্ষ পাতায়। তিনি একইসঙ্গে সমাজের জীবনযাত্রা, দৈহিক এবং মানসিক বাধাবাড়ি, এবং একক ব্যক্তির সামাজিক যোগদানের জন্য কোনও নির্দিষ্ট পথ বা নীতি হিসেবে কোনও ব্যক্তিত্ববাদী প্রতিষ্ঠান অথবা সাম্রাজ্যের সাথে সম্বৰ্থিত হতে নানা সময়ের কবলিতা অনুভব করেন।

“অবনী বাড়ি আছো” হলো একটি সুন্দর এবং জটিল কবিতা, যেটি অস্তিত্ব এবং স্বাধীনতার বিভিন্ন দিকে প্রতিক্রিয়া দেয়ে। কবি তার কবিতায় সামাজিক কাঠিন্য, আত্মনির্ভরশীলতা, এবং অস্তিত্বের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সীমা বা পরীক্ষা কে স্পষ্ট ভাবে উজ্জ্বল করেন।

কবিতার চেয়েছে পার্বত্য অবস্থা এবং অস্তিত্বের অপরিসীম প্রকাশ আছে, এবং তাতে আত্মনির্ভরশীলতা এবং স্বাধীনতার প্রশিক্ষণ পাওয়া হয়েছে। শব্দগুলি ভূমির সাথে সম্পর্কিত এবং এটি একটি উজ্জ্বল এবং চিত্রময় ছবি তৈরি করে, এটি কোনও কবিতায় এবং তার উদ্দীপক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে সাহায্য করে।

কবি অত্যন্ত সুন্দর ভাবে তার মূল বাসভবন “অবনী বাড়ি” এর চিত্রণ করেন, যেটি সমৃদ্ধি, প্রকৃতি, এবং একক অবস্থানের মোক্ষের সাথে জড়িত দেখানো হয়। কবি তার অবনীর বাড়ির চারদিক বাঁধলে আসা জীবন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে উল্লেখ করেন, এবং সেই সৌন্দর্যের মাধ্যমে তার মনোভাব ও ভাবনা প্রকাশ পান।

তার অবনীর বাড়ি হলো একটি আধুনিক বৃদ্ধি পাওয়া শহরের সাথে সমরস করা এবং তার অবস্থানের স্থানে একটি সান্নিধ্যবত্তা স্থাপনে তার মহান বিচারের প্রতি প্রতিবাদ সাধায়।

কবি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তার বাড়ির আত্মকথন করেন, তার ভবিষ্যতের স্থিতির কল্পনা করেন এবং কিছুটা বিরক্তিতে পৌঁছানোর জন্য স্বপ্ন দেখেন। তার বাড়ি তার একক অবস্থানের আবেগ এবং অতিরিক্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার বোধগম্য হয়ে ওঠে, যা তাকে একটি স্বতন্ত্র, আত্মনির্ভরশীল, এবং আত্মমুক্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার উদ্দীপক দৃষ্টিভঙ্গি দেয়।

“অবনী বাড়ি আছো” হলো একটি আত্মনির্ভরশীল, স্বাধীন, এবং সমৃদ্ধির পথে একক ব্যক্তির বৃদ্ধির গল্প, যা সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রশ্নের সাথে তার নিজের অভিজ্ঞান এবং উদ্দীপক দৃষ্টিভঙ্গি দেখায়।

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Discover more from

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

Novel drug delivery systems 7th semester notes pdf download. About us compitative exams mcq questions and answers. Photoshop, dm developments north west.