রায় সাহেব পঞ্চানন বর্মার উপর টীকা লেখো।

ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা 1901 সালে কুচবিহার থেকে রংপুরে এসে ওকালতি শুরু করেন। যদি আহিলকার পদের চাকরী পেয়ে যেতেন হয়ত কোচ রাজবংশী সমাজ তিমিরেই থাকত, পন্চানন বর্মাও ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা হয়ে উঠতেন না।
স্বর্গীয় ক্ষেত্রনাথ সিংহ মহাশয় রাজবংশী জাতির ইতিহাস লিখতে গিয়ে রাজা কান্তেশ্বর, বীর চিলা রায়, মহারাজা নরনারায়ণ ইত্যাদি কোচ রাজবংশী রাজাদের নাম উল্লেখ করেছেন। “চিলা রায় তাঁহার শক্তিশালী রাজবংশী সৈন্য লইয়া অদম্য বিক্রমে গৌড় বাদশাহ হোসেন সাহকে পরাস্ত, গৌড় নগর ধ্বংস-বিধ্বংস এবং বাদশাহকে নতজানু হইয়া ক্ষমাভিক্ষা করিতে বাধ্য করিয়াছিলেন।” আমরা সবাই জানি কোচ রাজা নরনারায়ণের ভ্রাতা তথা সেনাপতি হল বীর চিলারায়। অথচ আমরা এই আধুনিক সোসাল মিডিয়ার যুগে বসবাস করেও কোচ আর রাজবংশী নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি করি অযথা তর্ক করে সময় নষ্ট করি যা কুপমন্ডুকতার লক্ষণ।

1901 সালে ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার রংপুরে যাওয়ার আগেই হরমোহন খাজান্চী মহাশয় ক্ষত্রিয় আন্দোলন শুরু করেন অর্থাৎ রাজবংশীরা ক্ষত্রিয় এটা সেনসাস রিপোর্টে লেখার দাবী তোলেন। 1317 সালের 18ই বৈশাখ রবিবার রংপুর নাট্যমন্দিরে ক্ষত্রিয় সমিতির প্রথম অধিবেশন আরম্ভ হয়। এই অধিবেশনে প্রায় 400 লোকের সমাগম হয়।

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Discover more from

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

One liner gk general knowledge questions asked in compitative exams in kannada kpsc ,psi pc exams. About us dm developments north west. Pharmacy practice 7th semester notes pdf download.